নতুন করা মারা যাওয়া ১৮ বাংলাদেশি হলেন- সাহারা বেগম, মোস্তাক আহমদ, জিল্লুর রহমান, মো. ওয়াজিল্লাহ, মালেকুজ্জামান মানিক, আবদুল মালেক খান, আফজাল আহমদ, মো. মহসিন, রাশেদা আক্তার বিউটি, শিপন মিয়া, আউয়ুব খান, সৈয়দা খাতুন, বদরুল হক আতিক, মহিকুজ্জামান, রহমান স্বপন, আবদুর রউফ, রফিক উদ্দিন ও ফারুক আহমদের মা। এর আগে, গত ৩১ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো পাঁচ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে চারজন নিউইয়র্ক ও একজন নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যে মারা যান। এ নিয়ে ১ এপ্রিল পর্যন্ত আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৫৩ বাংলাদেশির মৃত্যু হলো।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে কারাগার সংরক্ষিত রাখতে দেশের ৩ হাজার কারাবন্দিকে জামিন দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। করোনায় সৃষ্ট দুর্যোগের কারণে কারাবন্দির সংখ্যা কমাতেই দেশের ৬৮ কারাগারে ছোটখাটো অপরাধ ও জামিনযোগ্য ধারায় বিচারাধীন ৩ হাজারের বেশি কারাবন্দিকে জামিন দিতেই এ উদ্যোগ বলে কারা সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে দেশের সব কারাগারে বন্দি ধারণক্ষমতা ৪১ হাজার ৩১৪ জন। এর বিপরীতে বর্তমানে ৮৯ হাজারের বেশি বন্দি আটক রয়েছেন। কয়েকদিন পূর্বে যা ৯০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অপরাধের কারণে এসব বন্দি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মাসের পর মাস কারা প্রকোষ্ঠে দিন কাটাচ্ছেন। অধিক বন্দির কারণে সরকারের বিশেষ নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ কারা অধিদফতরের এসব বন্দির তালিকা তৈরি করে পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে কারা কর্তৃপক্ষ হাজতিদের এ তালিকা তৈরি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবও পাঠিয়েছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সারাদেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে এসব হাজতিকে ছেড়ে দেয়া হবে। কারাগার নিরা...
Comments
Post a Comment